Thursday, September 23, 2021
বাড়িঅণুপোস্টফ্লোরোসেন্ট এবং এলইডি বাতি দিয়ে সবজি চাষ

ফ্লোরোসেন্ট এবং এলইডি বাতি দিয়ে সবজি চাষ

- Advertisement -

সূর্যের আলো গাছের বৃদ্ধির জন্য অত্যাবশ্যকীয় এটি যারা ফেসবুক ব্যবহার করতে পারেন তাঁরা সবাই জানেন। তবে সম্পূর্ন আলোটুকুই প্রয়োজন কী? উত্তর হচ্ছে: না। গাছের ক্লোরোফিলের রং সবুজ আর ক্লোরোফিলই সূর্যালোক ব্যবহার করে তা সঞ্চয় করে রাখে। যেহেতু ক্লোরোফিলের রং সবুজ তা থেকে বোঝা যায় এটি সবুজ রং শোষণ না করে প্রতিফলিত করে দেয়। মূলতঃ ক্লোরোফিল যে আলো শোষণ করে তা গ্লুকোজ হিসেবে সঞ্চয় করে রাখে সেগুলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য হচ্ছে ৪৫০ এবং ৬৬০ ন্যানোমিটার (যথাক্রমে নীল ও লাল আলো। প্রথম চিত্রে ক্লোরোফিলের শোষিত আলোর স্পেক্ট্রাম দেখা যাচ্ছে।) কাজেই যদি একটি গাছের যথাযথ বৃদ্ধি ঘটাতে হয় তাহলে এই দুটি আলো হলেই যথেষ্ট। তাই ঘরোয়াভাবে যদি গাছের চাষ করতে হয় তাহলে তা সাশ্রয়ীভাবে করা যাবে যদি আমরা শুধু নীল ও লাল আলোর ব্যবস্থা করে দিই। সম্প্রতি এধরনের দুই রং এর আলো বিশিষ্ট ফ্লোরোসেন্ট এবং এলইডি বাতি নিয়ে কাজ করছে নাসা। মানুষ এখনো মহাকাশে সুদীর্ঘ যাত্রা শুরু করেনি তবে নতুন নতুন আবিষ্কার এবং প্রযুক্তির উদ্ভাবনের সাথে সাথে বিভিন্ন ধরনের দীর্ঘমেয়াদী মহাকাশ অভিযানও শুরু হবে নিশ্চয়ই। মঙ্গলের কথাই ধরা যাক। আগামী দু’এক দশকের মধ্যেই মানুষ মঙ্গলে অভিযানে যাচ্ছে যাতে সময় লাগবে হয়তো বছরের কাছাকাছি। এধরনের বা তারচেয়ে দীর্ঘ অভিযানে রওনা দিতে হলে যাবতীয় খাবার-দাবার সাথে করে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকবে না বরং মহাশূন্যযানেই খাদ্য উৎপাদনের প্রযুক্তি উদ্ভাবন করতে হবে এবং তা কার্যকর করতে হবে।

এই ধরনেরই একটি নমুনা পরীক্ষা হয়ে গেছে সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে। সম্প্রতি সেখানে লেটুস চাষ করা হয়েছে এবং অচিরেই সেই লেটুস থেকে সালাদ বানিয়ে খেতে যাওয়া হচ্ছে । খাবার আগে লেটুসের পাতাগুলোকে সাইট্রিক এসিড ভেজা ন্যাকড়া দিয়ে মুছে নেওয়া হবে ময়লা দূর করার জন্য। লেটুস উৎপাদনের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে রঙ্গীল এলইডি যা সবচেয়ে কমখরচে বিদ্যুৎ থেকে আলো উৎপাদন করে (দ্বিতীয় চিত্র, লাল এবং নীল এলইডির আলো মিলে ম্যাজেন্টা তৈরি করেছে)। উৎপাদিত লেটুসের অর্ধেকটা খাওয়া হবে এবং বাকী অর্ধেক পরীক্ষা-নীরিক্ষার জন্য পৃথিবীর বুকে প্রেরণ করা হবে। তৃতীয় চিত্রে বাজারে পাওয়া যায় এমন একটি ফ্লোরোসেন্ট ‘গাছবাতি’ দেখানো হলো।

 

 

[অণুপোস্ট বিভাগে ছোট ও মজাদার বৈজ্ঞানিক সত্য পোস্ট করা হবে]

সব অণুপোস্ট পাবেন এখানে।

বিজ্ঞান পত্রিকার ইউটিউব চ্যানেল চালু হয়েছে।
এই লিংকে ক্লিক করে ইউটিউব চ্যানেল হতে ভিডিও দেখুন।
- Advertisement -

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

সম্পর্কিত খবর

- Advertisement -
- Advertisement -
- Advertisement -

Stay Connected

যুক্ত থাকুন

302,452ভক্তমত
779গ্রাহকদেরসাবস্ক্রাইব

Must Read

সম্পর্কিত পোস্ট

- Advertisement -
- Advertisement -

সবসময়ের জনপ্রিয়

সবচেয়ে আলোচিত

- Advertisement -
- Advertisement -
- Advertisement -
- Advertisement -
- Advertisement -
- Advertisement -
- Advertisement -