Wednesday, October 13, 2021
বাড়িবিজ্ঞান সংবাদমঙ্গলে অভিবাসন

মঙ্গলে অভিবাসন

- Advertisement -

আমাদের প্রতিবেশী গ্রহ হলো মঙ্গল। প্রগৈতিহাসিক যুগ থেকেই মঙ্গল মানুষের কাছে পরিচিত এর বিচিত্র রক্তিমাভাব বর্ণের জন্যে। মেঘমুক্ত আকাশে লাল রঙ এর তারাটিই হলো মঙ্গল গ্রহ। আর সেই আদি কাল থেকেই এই গ্রহটি মানব প্রজাতির কাছে হয়ে রয়েছে এক রহস্যময় গ্রহ। গ্রীক ও ভারতীয় প্রাচীন সভ্যতার যুগ থেকে আজ অবধি প্রায় সব ক’টি সভ্যতায় এই গ্রহটির উল্লেখ পাওয়া যায়। মানুষ সৃষ্টি জগতের অন্য সব প্রজাতি থেকে খুউবই সংগত কারণেই অনেকটা অগ্রসর এবং তার বুদ্ধিমত্তার চিহ্ন আমাদের সৌর জগতের সীমা পেরিয়ে এখন বহির্বিশ্বেও প্রতিনিধিত্ত করছে বলে জানা যায়! এ সত্যিই বিষ্ময় জাগানীয়াই বটে!

তবে সাম্প্রতিক কৌশলগত উন্নয়নের সাথে সাথে মানুষের উপলব্ধি ও জ্ঞান তৃষ্ণার মাত্রা আকাশচুম্বী! চন্দ্রজয়ের পরে তাই মঙ্গলে পা রাখতে মানুষ উদ্গ্রীব। শুধু পা রাখতেই নয়, মানুষ এখন মঙ্গলকে মানুষের দ্বিতীয় পৃথিবীর মতোই বাসযোগ্য করে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর। সেই লক্ষে্ই এগিয়ে চলেছে পরিকল্পনা মাফিক সমুদয় কার্যক্রম! বেসরকারী উদ্যোক্তা হিসেবে ইলন মাস্কের স্পেস-এক্স প্রকল্প সেখানে আশার সঞ্চার করেছে। সত্তরের দশকে রোপিত স্বপ্ন এখন পরিনতি প্রাপ্তির দোর গোড়ায়। পর্যবেক্ষনকারী অসঙ্খ্য মহাশূন্যযান এবং অন্ততঃ ছয়টি রকেটের সফল অবতরনের মাধ্যমে গ্রহটি সম্পর্কে বিস্তারিত আমরা জেনেছি। এমনকি ১৮ই ফেব্রুয়ারী ২০২১, আ্যটলাস-৫ রকেটে চেপে পার্সিভিয়ারেন্স নামের রোভার যানটি মঙ্গলের জিজেরো পর্ব্বত গহ্বরের সমতলে অবতরণ করতে যাচ্ছে। সাথে রয়েছে ইনজেনুয়েটি নামের হেলিকপ্টার সদৃশ্য ক্ষুদ্র এক আকাশ যান! এ অভিযান থেকে আমরা গ্রহটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানবো। বিশেষ করে আদিমতম প্রাণের উৎস, কিংবা ভূপৃষ্ঠের জমাট বাধা জল আথবা ভূতলের জলের উৎস এবং জ্বালানী উৎপাদনের সম্ভাবনা সম্পর্কে তথ্য গুলো এখন ভীষন জরুরী।

মঙ্গলে পাড়ি দেয়ার চাইতেও বর্তমানে বিশেষজ্ঞদের মাঝে মোকাবেলা করার মতো অন্ততঃ দুটি বড় চ্যলেঞ্জ রয়েছে! তার একটি হলো, স্বল্প-ব্যয়ে এবং দ্রুততম সময়ে মঙ্গলের সাথে পৃথিবীর দ্বিপাক্ষিক যোগাযোগের ব্যবস্থাটিকে নিশ্চিত করা; আর অন্যটি হলো, বর্তমানের অবাসযোগ্য গ্রহটিকে মানুষ এবং পৃথিবীর প্রাণীদের জন্যে ক্রমশঃ বাসযোগ্য করে তোলা। সেই লক্ষ্যে চলেছে উচ্চপর্যায়ের গবেষণা। তা ছাড়াও মহাকাশের তেজস্ক্রীয় বিকিরণ এবং অন্যান্য প্রতিবন্ধকতা এড়াতেও যথেষ্ট কৌশলগত উন্নয়নের প্রয়োজন রয়েছে।

বিজ্ঞান পত্রিকার সম্পাদক ডঃ ইমতিয়াজ আহমেএর সংকলিত তথ্যের ভিত্তিতে থিংক-বাংলার বন্যা আহমেদ এর সঞ্চালনা ও ধারাবিবরণীতে সেই অপার রহস্য ভেদের পরিকল্পনা, এবং আয়োজনের এক আকর্ষনীয় সংক্ষিপ্ত রূপ এখানে উঠে এসেছে এই তথ্যচিত্রে।

-কেশব কুমার অধিকারী

বিজ্ঞান পত্রিকার ইউটিউব চ্যানেল চালু হয়েছে।
এই লিংকে ক্লিক করে ইউটিউব চ্যানেল হতে ভিডিও দেখুন।
- Advertisement -

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

সম্পর্কিত খবর

- Advertisement -
- Advertisement -
- Advertisement -

Stay Connected

যুক্ত থাকুন

302,199ভক্তমত
780গ্রাহকদেরসাবস্ক্রাইব

Must Read

সম্পর্কিত পোস্ট

- Advertisement -
- Advertisement -

সবসময়ের জনপ্রিয়

সবচেয়ে আলোচিত

- Advertisement -
- Advertisement -
- Advertisement -
- Advertisement -
- Advertisement -
- Advertisement -
- Advertisement -