আমরা জানি, আজকের বিজ্ঞান গবেষণা এবং এর নানান কারিগরি দিক গুলো ভয়ানক রকমের জটীল গাণিতিক এবং বিজ্ঞানের তত্ত্বীয় বিষয়ের উপড়ে নির্ভরশীল। অধিকাংশ ক্ষেত্রে সাধারণের পক্ষে এর প্রায়োগিক দিক গুলো বুঝে উঠবার কথা নয়। সেটা আমরা শুধু মাত্র আমাদের হাতের মোবাইল ফোনের দিকে তাকালেই বুঝতে পারি। তাছাড়াও আধুনিক যুগের বৈজ্ঞানিক গবেষনার কারিগরি যান্ত্রিক দিক গুলোও অত্যন্ত জটিল। সেই জটিলতা ভেঙ্গে থিংক বাংলার সঞ্চালক বন্যা আহমেদ এবং প্রখ্যাত বাংলাদেশী জ্যোতির্পদার্থবিদ অধ্যাপক দীপেন ভট্টাচার্য বলেছেন আমাদের আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন সম্পর্কে। তাঁদের কথোপকথন ও সহজবোধ্য আলাপ এখানে দারুণ ভাবে উপভোগ্য।

আজকের আলোচনার বিষয়বস্তু হলো কিভাবে বিশালাকার আন্তর্জাতিক মহাকাশ গবেষনাগারখ্যাত স্যাটেলাইটটি ভেসে বেড়াচ্ছে আমাদের পৃথিবীর উপড়ে অথচ পড়ে যাচ্ছে না। এর বাস্তব এবং সহজবোধ্য ব্যাখ্যা অত্যন্ত প্রাঞ্জল ভাষায় বুঝিয়েছেন অধ্যাপক ভট্টাচার্য। কি করে সেটাকে কক্ষপথে স্থাপন করা হলো, কি করে এতোবড় একটি কাঠামোকে সেখানে পাঠানো হলো, কিংবা অন্যান্য উপগ্রহ গুলোই বা কি করে কাজ করছে, কিংবা যখন কোন উপগ্রহের কাজ শেষ হয়ে যায তখন সেই উপগ্রহের অন্তিম ভাগ্য কি হয়, কিংবা ধরুন এসব কৃত্রিম উপগ্রহের সাথে পৃথিবীর প্রাকৃতিক উপগ্রহ চাঁদের কি সম্পর্ক? এসব মজার মজার বৈজ্ঞানিক আলাপ অত্যন্ত সহজবোধ্য ভাবে উপস্থাপিত হয়েছে এখানে। বাংলা ভাষায় দুষ্প্রাপ্য এ ধরনের রোমাঞ্চকর বৈজ্ঞানিক তথ্যের চমৎকার তথ্যচিত্র থিংক বাংলা এখন আমাদের জন্যে ক্রমাগত ভাবে দিয়ে চলেছে। আসুন আজকের তথ্যচিত্র থেকে জেনে নেই আমাদের আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (আই এস এস) সম্পর্কে। জটীল আধুনিক বৈজ্ঞানিক কর্মযজ্ঞের এক চমকপ্রদ অথচ আকর্ষনীয় বিষয়ে আমাদের তৃপ্তি মেটাবে নিঃসন্দেহে এ তথ্যচিত্রটি।

-কেশব কুমার অধিকারী