Wednesday, October 20, 2021
বাড়িরসায়নকয়েক দশকব্যাপী বিভিন্ন গবেষণায় ব্যবহারের পর দেখা গেল সেই বস্তুর অস্তিত্বই নেই!

কয়েক দশকব্যাপী বিভিন্ন গবেষণায় ব্যবহারের পর দেখা গেল সেই বস্তুর অস্তিত্বই নেই!

- Advertisement -

Chemical Communications জার্নালে প্রকাশিত একটি কৌতুহলোদ্দীপক গবেষণাপত্রে এক অদ্ভুতুড়ে বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। এর মাধ্যমে ইতিহাস হতে একটি রাসায়নিক উপাদান উধাও করে দেওয়া হয়েছে! ফলশ্রুতিতে দেখা যায়, বিপুল সংখ্যক প্রকাশিত গবেষণা সম্পূর্ণ ভুল ধারনার ভিত্তিতে প্রকাশিত হয়েছে।

ইউনিভার্সিটি অফ ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া এবং মারডক ইউনিভার্সিটির নেতৃত্বে এই গবেষণা চালানো হয়েছে। তাঁরা অ্যালুমিনা উৎপাদনের কারখানা হতে পারদ নিঃসরণ হ্রাসকরণে সালফাইড দ্রবণের প্রয়োগযোগ্যতা নিয়ে গবেষণা করছিলেন। এটি খুব সহজসাধ্য বিষয় মনে হলেও বহুবছর ধরে খনিজ প্রক্রিয়াজাতকরণে এবং পরিবেশদূষণে এই বিষয়টি নিয়ে প্রচুর গবেষণা চালাতে হয়েছে। এই নতুন গবেষণাটিতে রসায়নের কিছু সুনির্দিষ্ট বিষয়ে আলোপাত করার বিষয় জড়িত ছিলো যাতে অন্তর্ভুক্ত ছিলো সালফরের কিছু প্রকরণ।

গবেষণা চলাকালে গবেষকগণ বিশেষ একটি রাসায়নিক সত্ত্বা, S2- (সালফাইড আয়ন) এর দিকে মনোযোগী হয়েছিলেন। এটি বিভিন্ন রূপে বিদ্যমান থাকলেও তাঁরা জলীয় দ্রবণে এর উপস্থিতির পরীক্ষালব্ধ প্রমাণ খোঁজার চেষ্টা করেছিলেন।

সালফারের বিভিন্ন যৌগের উচ্চঘনমাত্রার দ্রবণ নিয়ে তাঁরা রামান স্পেক্ট্রস্কোপি চালান। এই পরীক্ষায় একটি লেজারের মাধ্যমে উত্তেজিত অবস্থার অণুতে নিশানা করে এদের প্রতিফলিত বিক্ষিপ্ত আলোকে একটি ডিটেক্টরের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করে কোনো সুনির্দিষ্ট উপাদানের উপস্থিতি সনাক্ত করা যায়।

এটি যদিও মাইক্রোস্কোপের মাধ্যমে ব্যাক্টেরিয়া খুঁজে দেখার মত পরীক্ষা নয়, তবে গবেষকগণ পরীক্ষাটির মাধ্যমে S2- এর উপস্থিতির কোনো আলামত খুঁজে  পেলেন না। গবেষণাপত্রটিতে উল্লেখ করা হয়েছে তিন দশক আগেই দ্রবণে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক S2- আয়ন উপস্থিত থাকে না সেটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তবে নতুন এই গবেষণায় অদৌ কোনো S2- আয়ন তৈরি হয় কিনা সেই বিষয়েই সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

এটি রসায়নের কেবলই একটি সূক্ষ ত্রুটি নয় বরং এটি পাঠ্যবইয়ে, নানাবিধ গবেষণায় এবং সালফাইড থার্মোডায়নামিক্সের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। ফলশ্রুতিতে গবেষকদলটি বিজ্ঞানের সব নথিপত্র হতে এটিকে তুলে দেওয়ার প্রস্তাব করেছেন। [iflscience অবলম্বনে]

বিজ্ঞান পত্রিকার ইউটিউব চ্যানেল চালু হয়েছে।
এই লিংকে ক্লিক করে ইউটিউব চ্যানেল হতে ভিডিও দেখুন।
- Advertisement -

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

সম্পর্কিত খবর

- Advertisement -
- Advertisement -
- Advertisement -

Stay Connected

যুক্ত থাকুন

302,083ভক্তমত
781গ্রাহকদেরসাবস্ক্রাইব

Must Read

সম্পর্কিত পোস্ট

- Advertisement -
- Advertisement -

সবসময়ের জনপ্রিয়

সবচেয়ে আলোচিত

- Advertisement -
- Advertisement -
- Advertisement -
- Advertisement -
- Advertisement -
- Advertisement -
- Advertisement -