প্রাথমিক ভাবে লক্ষ্য ধরা হয়েছিলো ২০১৮ সাল। কিন্তু নেদারল্যান্ড পুরো এক বছর বাকী থাকতেই লক্ষ্য পূরণ করে ফেলেছে। কেননা, এই বছর জানুয়ারীর শুরু থেকেই সকল গণপরিবহণ ট্রেন  নবায়নযোগ্য বায়ু শক্তিতে চলতে শুরু করেছে।

বায়ুকলের ঐতিহাসিক ভুমিটি বায়ু শক্তির উন্নয়নে সারা বিশ্বের নেতৃত্ব দিচ্ছে। ডাচ সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী দেশটিতে বর্তমানে ২২০০ টি বায়ুকল রয়েছে।

এই বায়ুকলগুলো যে পরিমান শক্তি উৎপাদন করে তা দিয়ে ২৪ লাখ বাড়ি বিদ্যুতায়িত করা যায়। তবে ট্রেনগুলো এককভাবে বছরে ১২০ কোটি কিলোওয়াট বিদ্যুৎ খরচ করে যা দেশটির সবচেয়ে বড় শহর আমস্টারডামের বিদ্যুৎ খরচের সমান।

বায়ু শক্তিতে নেদারল্যান্ড ক্রমশঃ ছেয়ে যাচ্ছে।  তবে ইউরোপের অন্যান্য দেশও সমগ্র বিদ্যুৎ উৎস নবায়নযোগ্য করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ইতিপূর্বে, গত আগষ্টে স্কটল্যান্ড ঘোষনা দিয়েছিলো তাদের বায়ুকলগুলো দেশটির মোট চাহিদার চেয়ে বেশী ১০৬ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জন করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রও বায়ু শক্তি উৎপাদনের দিকে ক্রমাগত এগিয়ে যাচ্ছে। আমেরিকান উইন্ড এনার্জি এসোসিয়েশনের হিসেব অনুযায়ী এই দেশটিতে ৪৮,৮০০ টির বেশী বাতাস টারবাইন চালু আছে যার মোট উৎপাদন ক্ষমতা ৭৩,৯৯২ মেগা ওয়াট। যদিও অন্যান্য দেশের তুলনায় এই সংখ্যা অনেক বেশী তবে বড় দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যুতের চাহিদাও অনেক বেশী। [Science Alert অবলম্বনে]

-বিজ্ঞান পত্রিকা ডেস্ক