এই ২০১৭ সালে এসেও প্রায়শঃই আমরা মেয়াদ উত্তীর্ণ খাদ্যের গন্ধশুঁকে সেগুলো এখনো খাওয়া চলে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করে দেখি। ব্র্যাসকেম (Braskem) নামের একটি কোম্পানী এই ক্ষেত্রে একটু বিজ্ঞান প্রয়োগ করতে চাইছে।

এই কোম্পানী একধরনের প্লাস্টিকের খাবার ও পানীয়ের আধার তৈরি করছে যা এর বর্ণ হতে অন্য বর্ণে রূপান্তরিত হয়ে যায় যখন ভেতরে রাখা বস্তুর pH পরিবর্তিত হয়। খাবার মান পরিবর্তনের সাথে সাথে pH পরিবর্তিত হয়ে যায় ফলে বোতলের রং দেখেই খাবারের গুণাগুণ বলে দেওয়া সম্ভব।

যদিও এধরনের কিছু প্রযুক্তি কয়েক দশক ধরেই প্রচলিত তবে ব্র্যাসকেমের প্রযুক্তির বেশ কিছু সুবিধা আছে। এই কোম্পানীটি যুক্তরাষ্ট্রের সর্ববৃহৎ প্লাস্টিক পণ্য উৎপাদন কোম্পানী যারা বিপুল পরিমান খাদ্যের কন্টেইনার তৈরি করে যার মধ্যে রয়েছে বোতলের মুখ, জগ, পুনঃব্যবহারযোগ্য ধারক, কসমেটিক প্যাকেজিং এবং আরো অনেক কিছু।

এই কোম্পানীর কারখানা রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল, মেক্সিকো ও জার্মানীতে। নতুন এই বর্ণ পরিবর্তক ধারনার উদ্ভব হয় ব্রাজিলে যেখানে খাদ্য নিরাপত্তা কেলেঙ্কারী ঘটে যখন মার্চে বেশ কিছু খাদ্য উৎপাদন কোম্পানীর কর্মীগণ সরকারী পরিদর্শকদের ঘুষ দিয়ে পচা এবং সালমোনেলা জীবাণুবাহী মাংস বাজারজাত করে।

তবে নতুন এই খাদ্য বাজারজাতকরণ মোড়ক জনপ্রিয় করতে হলে কোম্পানীটিকে শুধু ভোক্তাই নয় বরং খাদ্য উৎপাদন, বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান এবং পাইকারী সরবরাহকারীদের মন জয় করতে হবে।

-বিজ্ঞান পত্রিকা ডেস্ক