সাম্প্রতিক বিশ্লেষণ হতে দেখা যায়, সৌরবিদ্যুৎই এখন যাবতীয় বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রযুক্তির মধ্যে সবচেয়ে সুলভ। ব্লুমবার্গ নিউ এনার্জি ফাইন্যান্স (BNFF) এর তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে চীন, ব্রাজিল, ভারতসহ বিশ্বের ৫৮ টি নিন্ম আয়ের দেশে সৌর বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ ২০১০ তুলনায় একতৃতীয়াংশ হ্রাস পেয়েছে এবং বাতাস শক্তির চেয়ে নিচে নেমে এসেছে।

আগস্ট মাসে চিলির একটি বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম সংশ্লিষ্ট নিলামে সৌর বিদ্যুতের সরঞ্জাম প্রতিমেগাওয়াট উৎপাদনের জন্য রেকর্ড সর্বনিন্ম ২৯.১০ ডলারে বিক্রি হয়েছে। এই মূল্য কয়লা বিদ্যুতে সমপরিমান উৎপাদন খরচের প্রায় অর্ধেক।

BNFF এর চেয়ারম্যান মাইকেল লিবরিখ বলেন, “নবায়নযোগ্যতা প্রবলভাবেই (জ্বালানীর মূল্য) কাট-ছাঁট করার যুগে প্রবেশ করেছে।” উন্নয়নশীল দেশে নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের মূল্য হ্রাস পাচ্ছে, যারা নিজেদের গ্রিডে বাড়তি বিদ্যুত যুক্ত করতে চাইছে। “নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ কোনো রকম ভর্তুকি ছাড়াই কোনো যেকোনো প্রযুক্তিকে ছাড়িয়ে যাবে।” লিবরিখ যোগ করেন।

তবে ধনীদেশগুলোতে নবায়নযোগ্য বিদ্যুতকে ইতিমধ্যে প্রতিষ্ঠিত জীবাষ্ম জ্বালানীর বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর সাথে প্রতিদ্বন্দীতায় লিপ্ত হতে পারে, ফলে সেসব দেশে এটি হতে পারে তুলনামূলক ব্যয়বহুল।

বৃহৎমাত্রায় উৎপাদন ও বিক্রির প্রবণতাই সৌরবিদ্যুতের মূল্যহ্রাসের জন্য প্রভাবকের ভুমিকা পালন করে। বিশেষ করে চীন ইত্যাদি দেশের ভুমিকা এই ক্ষেত্রে অদ্বিতীয় যারা বিপুল পরিমানে জনগোষ্ঠী নিয়ে সৌর বিদ্যুতের দিকে ঝুঁকছে। বেইজিং এমনকি অন্যদেশগুলোকে সৌরবিদ্যুত প্রকল্প গ্রহণে অর্থসাহায্যও দিচ্ছে। [ Independent অবলম্বনে ]

-বিজ্ঞান পত্রিকা ডেস্ক