Monday, September 20, 2021
বাড়িধরিত্রিসুমেরু অঞ্চলে বরফ জমেছে সবচেয়ে কম - নাসা

সুমেরু অঞ্চলে বরফ জমেছে সবচেয়ে কম – নাসা

- Advertisement -

সুমেরু (উত্তর মেরু) অঞ্চলে এবছর সবচেয়ে কম বরফ জমেছে বলে জানিয়েছে নাসা। আরো জানিয়েছে, বরফ কমে যাওয়ার প্রভাব বিশ্ব আবহাওয়ার উপর পড়তে পারে।

বছরের মার্চ মাসে সুমেরু সমুদ্রের উপরে সবচেয়ে পুরু হয়ে বরফ জমে যা সেম্পটেম্বরে এসে কমে আসে। কম পুরুত্বে বরফ জমা ও আমাদের উপরে এর প্রভাব নিয়ে গত ২৫শে মার্চ নাসার বিজ্ঞানি ও্যাল্ট ম্যায়ার আলোচনা করেন। ম্যায়ার বলেন, “ এ বছর শীতে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে। সুমেরু অঞ্চলের স্বাভাবিক তাপমাত্রার উপরে তা বেড়ে হয়েছে ১০o থেকে ১৫ ফারেনহাইট ( ৫.৫o থেকে ৮.৩o সেলসিয়াস)। এবং এ কারনেই এবছর সুমেরু অঞ্চলে কম বরফ জমেছে।“

Untitled-1

নাসা বিগত ১৯৭০ সাল থেকে সুমেরু অঞ্চলে ‘সমুদ্র বরফ- ব্যাপ্তি’ ( যা ক্ষেত্রফল ও আয়তনের সাথে সম্পর্কিত একটি টার্ম) সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করছে। ২০১৬ সালে সমুদ্র বরফ-ব্যাপ্তি বিজ্ঞানীদের দেখা বিগত ৪০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম।

“আমরা প্রায় দুইটা টেক্সাস শহরে সমান সমুদ্রের বরফ হারিয়েছি শীতের সময়ে, ম্যায়ার বলেন “ গ্রীষ্মকালে তা আরো প্রকট, ক্ষেত্রফলের বিবেচনায় তা প্রায় দিগুন।“ তিনি আরো বলেন, “বিগত বছরের চেয়ে বরফের পুরুত্ব এবার খুবই কম, রেকর্ড রাখার সময় থেকে এখন পর্যন্ত আমরা ওজন বা আয়তনের প্রায় ৫০ ভাগ সমুদ্রের বরফ হারিয়ে ফেলেছি।“

এই নাটকীয় পরিবর্তন স্থায়ী নয়। শুভ্র বরফ প্রায় ৮০ ভাগ সূর্য্যরশ্মি ফিরিয়ে দেয়। সমুদ্রে কম পুরুত্বের বরফ এলাকায় অনেকটুকু সূর্যরশ্মি শোষিত হয় যা সমুদ্রের পানিকে উষ্ণ করে।“ আপনি গরম করছেন (পানি), নিন্ম অক্ষাংশের বিপরীতে পরিবর্তন হচ্ছে,” ম্যায়ার বলেন, “ এবং সে বৈসাদৃশ্য জেট স্ট্রিম, স্ট্রম ট্র্যাক এবং আবহাওয়া বিন্যাসে সাহায্য করে।“ তিনি উল্লেখ করেন, সুমেরু অঞ্চল উষ্ণ হলে নিন্ম অক্ষাংশে তার প্রভাব পড়ে।“

উদাহরণস্বরূপ, সুমেরু অঞ্চলের শীতল বায়ু অক্ষবর্তী পাকে  উত্তর মেরুতে ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে ঘুর্তে থাকে। কিন্তু সমুদ্র বরফ-ব্যাপ্তি কমে গেলে সুমেরু অঞ্চল উষ্ণ হয়, উচ্চ চাপ তৈরি হয় এবং অক্ষবর্তী পাক দুর্বল হয়। ফলসরূপ, দক্ষিমুখি শীতল বায়ু প্রভাবে তীব্র ঠান্ডা পড়ে।

সুমেরু অঞ্চলে বরফ কমে যাওয়ার উপযুক্ত কারন ও তা রোধে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করতে নাসা আগামী কয়েকদিনে দুটি মিশন হাতে নিয়েছে। যার একটি অপারেশান আইস ব্রিজ এবং অপরটি ওশান মেল্টিং গ্রিনল্যান্ড। “আসলে, পরিবর্তনগুলো আমাদের চোখে পড়ে কিন্তু পরিবর্তনের কারনগুলো আমরা বুঝি না,” ম্যায়ার বলেন, “ এবং এ মিশন আমাদের তথ্য সংগ্রহে সাহায্য করবে যাতে করে আমরা ভালভাবে উপলবদ্ধি করতে পারবো ভবিষ্যৎ কি হতে যাচ্ছে।“

⚫ নবাব সুজা উদ্দৌলা

বিজ্ঞান পত্রিকার ইউটিউব চ্যানেল চালু হয়েছে।
এই লিংকে ক্লিক করে ইউটিউব চ্যানেল হতে ভিডিও দেখুন।
- Advertisement -

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

সম্পর্কিত খবর

- Advertisement -
- Advertisement -
- Advertisement -

Stay Connected

যুক্ত থাকুন

302,488ভক্তমত
779গ্রাহকদেরসাবস্ক্রাইব

Must Read

সম্পর্কিত পোস্ট

- Advertisement -
- Advertisement -

সবসময়ের জনপ্রিয়

সবচেয়ে আলোচিত

- Advertisement -
- Advertisement -
- Advertisement -
- Advertisement -
- Advertisement -
- Advertisement -
- Advertisement -